Skip to main content

Banglar Yuva Sathi 2026: Apply, Eligibility & Benefit

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের উপকার করার জন্য একটি নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করেছেন, যার নাম বাংলার যুব সাথী 2026 (Banglar Yuva Sathi 2026)। এই কর্মসূচিতে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল হওয়া তরুণ-তরুণীদের মাসিক ১৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যা ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।

এই উদ্যোগটি ২১ বছর থেকে ৪০ বছর বয়সী যুবসমাজকে টার্গেট করে তৈরি করা হয়েছে, যারা প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে সহায়তা পাবেন। চলতি বছরের ১লা এপ্রিল থেকে এই স্কিমের আবেদন প্রক্রিয়া চালু হবে এবং মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল যোগ্য প্রার্থীরা এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

West Bengal Banglar Yuba Sathi Scheme 2026
West Bengal Banglar Yuba Sathi Scheme 2026

Latest Update: Scheme Announcement

বাংলার যুব সাথী একটি মাসিক আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি যা রাজ্যের শিক্ষিত কিন্তু কর্মহীন যুবকদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা সহায়তা দেবে। এই বছরের রাজ্য বাজেটে এই প্রকল্পটি ঘোষণা করা হয়েছে।

  • Monthly Assistance: মাসিক ১৫০০ টাকা (বার্ষিক হিসাবে ১৮,০০০ টাকা)
  • Application Starts: ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • Scheme Starts: ১লা এপ্রিল, ২০২৬
  • Target Group: ২১-৪০ বছর বয়সী (শিক্ষিত বেকার যুব সমাজ)

বাংলার যুব সাথী 2026

বাংলার যুব সাথী হলো একটি মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রকল্প যা পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষিত কিন্তু বেকার তরুণ-তরুণীদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এই স্কিমের মাধ্যমে প্রতিমাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করা হবে। রাজ্যের সাম্প্রতিক বাজেট অধিবেশনে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়, যেখানে সেই সব যুবক-যুবতীরা সুবিধা পাবেন যারা মাধ্যমিক বা তার সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং যাদের বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ শর্ত হিসেবে, যারা ইতিমধ্যে অন্য কোনো শিক্ষা ভিত্তিক প্রকল্প বা বৃত্তি থেকে সুবিধা নিচ্ছেন না, তারাই কেবল এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করার যোগ্য হবেন।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষিত কিন্তু কর্মসংস্থান বিহীন যুবসমাজকে আর্থিক সাপোর্ট দেওয়া, যাতে তারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারে অথবা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে। বাংলার যুব সাথী কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো তরুণ প্রজন্মকে আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করা, যাতে তারা চাপমুক্ত মনে তাদের ক্যারিয়ার গঠনে মনোনিবেশ করতে পারে এবং এই আর্থিক সহায়তা তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণে সাহায্য করবে।

Scheme Overview
Scheme Name Banglar Yuva Sathi (বাংলার যুব সাথী)
Benefit Amount মাসিক ১৫০০ টাকা
Beneficiaries কর্মহীন শিক্ষিত তরুণ-তরুণী (Educated Unemployed Youth)
Education ন্যূনতম মাধ্যমিক উত্তীর্ণ
Age Limit ২১ বছর থেকে ৪০ বছর
Duration সর্বোচ্চ পাঁচ বছর মেয়াদ পর্যন্ত
Official Website https://sportsandyouth.wb.gov.in/

Banglar Yuva Sathi Eligibility Criteria

বাংলার যুব সাথী (Banglar Yuba Sathi 2026) কর্মসূচির সুবিধা কারা নিতে পারবেন? বাংলার যুব সাথী প্রকল্প ঘোষণা হওয়ার পর থেকে যুবসমাজের মনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জাগে যে এই স্কিমের আওতায় কারা আসবেন এবং কোন কোন ব্যক্তিরা মাসিক ১৫০০ টাকা সহায়তা পাওয়ার যোগ্য হবেন? চলুন তাহলে বিস্তারিতভাবে জেনে নিই রাজ্য সরকার এই কর্মসূচির জন্য কী ধরনের যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে।

পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসন বাংলার যুব সাথী স্কিমের জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত এবং যোগ্যতার মাপকাঠি তৈরি করেছে এবং যদি কোনো তরুণ বা তরুণী এই সকল মানদণ্ড পূরণ করেন, তাহলে তারা নিঃসন্দেহে এই কর্মসূচি থেকে সুবিধা লাভ করতে পারবেন।

রাজ্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বাংলার যুব সাথী যোগ্যতার শর্তাবলী নিম্নরূপ:

যোগ্যতার মানদণ্ড (Eligibility Criteria)
বাসস্থান (Residence) পশ্চিমবঙ্গের নিয়মিত বাসিন্দা হতে হবে
বয়সসীমা (Age Limit) ২১ বছর থেকে ৪০ বছর বয়স
শিক্ষাগত যোগ্যতা (Qualification) মাধ্যমিক অথবা সমপর্যায়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
কর্মসংস্থান (Employment) বেকার অথবা কর্মসংস্থানহীন থাকতে হবে
অন্যান সুবিধা (Other Benefits) অন্য রাজ্য সরকারি ভাতা পেলে অযোগ্য

1. পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা: বাংলার যুব সাথী কর্মসূচির সুবিধা শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের নিয়মিত এবং স্থায়ী বাসিন্দারাই গ্রহণ করতে পারবেন। সুতরাং এই রাজ্যের যেকোনো জেলার স্থায়ী বাসিন্দা যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পের প্রধান সুবিধাভোগী হবেন।

2. শিক্ষিত কর্মহীন যুবক- যুবতী: বাংলার যুব সাথী উদ্যোগের মূল টার্গেট গ্রুপ হলো শিক্ষিত কিন্তু কর্মসংস্থানহীন তরুণ সমাজ যাদের আর্থিক সাপোর্টের প্রয়োজন। যেসব যুবক-যুবতী উচ্চতর শিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন অথবা চাকরির সন্ধান করছেন এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অধ্যয়নরত আছেন, তাদের বিশেষভাবে এই স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই কর্মসূচি তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রদানের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত।

3. শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাংলার যুব সাথী কর্মসূচিতে আবেদনের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই স্কিমের আওতায় যেসব তরুণ-তরুণী মাধ্যমিক বা তার সমমানের কোনো পরীক্ষায় পাশ করেছেন, তারা মাসিক ১৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। মাধ্যমিক স্তর থেকে শুরু করে স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা তার উর্ধ্বে শিক্ষিত যুবকরাও এই সুবিধার জন্য যোগ্য।

4. আবেদকের বয়স সীমা: বাংলার যুব সাথী প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকার একটি সুনির্দিষ্ট বয়সের সীমা নির্ধারণ করেছে, যার আওতায় ২১ বছর থেকে ৪০ বছর বয়সের তরুণ-তরুণীরা এই স্কিমের জন্য আবেদন জমা দিতে পারবেন।

5. অন্যান্য শিক্ষাগত প্রকল্পের সুবিধা ভোগী: যেসব যুবক-যুবতী এই কর্মসূচির জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক, তারা তখনই এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন যখন তারা বর্তমানে অন্য কোনো শিক্ষা সম্পর্কিত প্রকল্প বা স্কলারশিপ থেকে সহায়তা নিচ্ছেন না। যদি আবেদনকারী রাজ্য বা কেন্দ্র সরকারের অন্য কোনো সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের অধীনে আর্থিক সাহায্য না পেয়ে থাকেন, কেবলমাত্র তাহলেই তারা এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী হতে পারবেন।

বাংলার যুব সাথী একটি সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (Direct Benefit Transfer) ভিত্তিক স্কিম যেখানে আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আর্থিক সাহায্য ট্রান্সফার করা হবে। এই প্রকল্প অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীরা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত প্রতিমাসে ১৫০০ টাকা করে পেতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই এই কর্মসূচিতে আবেদন করার সুবিধা থাকবে। এপ্রিল মাসের ১ তারিখ, ২০২৬ সাল থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

Banglar Yuva Sathi Required Documents

বাংলার যুব সাথী আবেদনের জরুরী কাগজপত্র: বাংলার যুব সাথী স্কিমে আবেদন করার জন্য কিছু অত্যাবশ্যক ডকুমেন্ট প্রয়োজন হবে যেগুলি আপনাকে আবেদনের আগে থেকেই সংগ্রহ করে প্রস্তুত রাখতে হবে। এই সমস্ত নথিপত্রের ফটোকপি এবং সেই সাথে স্কান করা ডিজিটাল ভার্সনও তৈরি করে রাখা উচিত, কারণ আবেদন প্রক্রিয়ার সময় এগুলি আপলোড বা জমা দিতে হবে।

বাংলার যুব সাথী কর্মসূচিতে আবেদনের জন্য যে ডকুমেন্টগুলি আবশ্যক:

  • ১. আধার কার্ড (Aadhaar Card)
  • ২. মাধ্যমিক পরীক্ষার এডমিট কার্ড
  • ৩. মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশিট বা সার্টিফিকেট
  • ৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বিবরণী (আধারের সাথে সংযুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক)
  • ৫. সাম্প্রতিক পাসপোর্ট আকারের ছবি
  • ৬. সচল মোবাইল নম্বর
নথিপত্র (Document) বিবরণ (Description)
আধার কার্ড (Aadhaar Card) পরিচয় এবং ঠিকানা যাচাইয়ের প্রমাণ (মোবাইল নম্বর সংযুক্ত থাকা আবশ্যক)
মাধ্যমিক এডমিট কার্ড বয়স যাচাইয়ের জন্য (Age Verification)
শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র মাধ্যমিক অথবা উচ্চতর ক্লাসের মার্কশিট অথবা সার্টিফিকেট
ব্যাংক একাউন্ট ডিটেইলস আধার লিংকড সক্রিয় ব্যাংক একাউন্ট (ডিবিটি পেমেন্টের জন্য)
পাসপোর্ট সাইজ ফটো আবেদনকারীর সাম্প্রতিক রঙিন ফটোগ্রাফ
মোবাইল নাম্বার OTP যাচাই এবং স্ট্যাটাস আপডেট পাওয়ার জন্য

উপরোক্ত নথিপত্রগুলি আবেদনের পূর্বে সংগ্রহ করে প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়াও, আবেদন প্রক্রিয়ার সময় যদি কোনো অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়, তা আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

Documents Required for Banglar Yuva Sathi 2026
Documents Required for Banglar Yuva Sathi 2026

Banglar Yuva Sathi Application Process

পশ্চিমবঙ্গের এই মাসিক ১৫০০ টাকার যুবসাথী কর্মসূচিতে আবেদন অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতিতেই সম্পন্ন করা যাবে। এপ্রিল মাসের ১ তারিখ ২০২৬ সাল থেকে এই প্রকল্পের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।

West Bengal Banglar Yuva Sathi Apply Online 2026
West Bengal Banglar Yuva Sathi Apply Online 2026

অনলাইন আবেদন (Online Application)

অনলাইনে আবেদন করার জন্য রাজ্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অফিসিয়াল বাংলার যুব সাথী পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে New Application বা নতুন আবেদন অপশনে ক্লিক করে আপনার আবেদন শুরু করতে পারবেন।

  1. প্রথমে বাংলার যুবসাথী অফিসিয়াল পোর্টাল https://yubasathi.wb.gov.in/ -এ প্রবেশ করুন।
  2. Banglar Yuva Sathi Apply Online 2026এরপর Apply Online অপশনে ক্লিক করুন।
  3. Banglar Yuva Sathi Apply Online Registerএরপর আবেদনকারীর ১০ সংখ্যার মোবাইল নম্বর লিখুন।
  4. এরপর ক্যাপচা লিখে Get OTP / Secret PIN অপশনে ক্লিক করুন।
  5. আবেদনকারীর মোবাইল নম্বরে OTP আসবে, সেটি লিখে Verify PIN অপশনে ক্লিক করুন।
  6. Banglar Yuva Sathi Fill-up Online Application Formএরপর অনলাইন আবেদন ফর্ম খুলে আসবে। সেখানে আবেদনকারীর নাম, আধার নাম্বার, ব্যাংক একাউন্টে লিংক থাকা মোবাইল নাম্বার, ইমেইল আইডি (যদি থাকে), জেন্ডার, জন্ম তারিখ, বাবার নাম, মেয়ের নাম, স্বামী বা স্ত্রীর নাম, ক্যাটেগরী, বৈবাহিক অবস্থা, ঠিকানা, শিক্ষাগত এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন।
  7. Save Basic Details ক্লিক করুন।
  8. Banglar Yuva Sathi Apply Online Upload Documentsপ্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এক এক করে নির্ধারিত ফরম্যাট ও সাইজে আপলোড করুন। PDF ফাইল ডকুমেন্টস কপিতে অবশ্যই আবেদনকারীর স্বাক্ষর (Self Attested) থাকতে হবে। নির্ধারিত ফরম্যাট ও সাইজ জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  9. Save Documents ক্লিক করুন।
  10. Self Declaration টিক দিয়ে Final Submit করুন।
  11. Banglar Yuva Sathi Apply Online Submittedআবেদন নম্বর সংরক্ষণ করুন এবং ফর্ম PDF ডাউনলোড করে রাখুন। ভবিষ্যতে আবেদন স্ট্যাটাস চেক করতে এটি দরকার হবে।

অফলাইন আবেদন (Offline Application)

দুয়ারে সরকার ক্যাম্প: আপনার নিকটস্থ দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করুন এবং তা পূরণ করে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ জমা দিন। এছাড়াও BDO (ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার) অথবা SDO (সাব-ডিভিশনাল অফিসার) অফিসেও আবেদন জমা দেওয়া সম্ভব।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

বাংলার যুব সাথী প্রকল্প কি?

বাংলার যুব সাথী একটি আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি যা পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষিত কিন্তু কর্মহীন তরুণ-তরুণীদের মাসিক ১৫০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করে। এই স্কিমটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬ সালের রাজ্য বাজেটে ঘোষণা করেছেন।

বাংলার যুব সাথী আবেদন কবে থেকে শুরু হবে?

বাংলার যুব সাথী কর্মসূচির আবেদন প্রক্রিয়া ১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হবে। আবেদন অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই সম্পন্ন করা যাবে। অতিরিক্তভাবে, দুয়ারে সরকার শিবিরের মাধ্যমেও আবেদন সংগ্রহ করা হতে পারে।

বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে কত টাকা করে দেওয়া হবে?

বাংলার যুব সাথী স্কিমের অধীনে যোগ্য তরুণ-তরুণীরা প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। বছরে এই পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮,০০০ টাকা যা সরাসরি সুবিধাভোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হবে।

ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই কি আবেদন করতে পারবে?

হ্যাঁ, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষিত বেকার যুবক এবং যুবতী উভয়েই এই কর্মসূচির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

আবেদন করার জন্য কোনো ফি দিতে হবে কি?

না, এই কর্মসূচিতে আবেদন করার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে বিনামূল্যে এবং কোনো আবেদন ফি প্রদানের প্রয়োজন নেই।

কত দিন পর্যন্ত এই সুবিধা পাওয়া যাবে?

সাধারণভাবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর মেয়াদ পর্যন্ত অথবা সুবিধাভোগী কর্মসংস্থান লাভ না করা পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটবে) এই আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।
Share on WhatsApp